সেই ড্রাইভার মালেকের বাড়ির দরজা-ওয়াশরুম দেখে অনেকের চোখ কপালে!

আবদুল মালেক ওরফে বাদল পেশায় একজন গাড়িচালক। চাকরি করেন স্বা’স্থ্য অধিদপ্তরে। সুনির্দিষ্ট কিছু অ’ভিযোগের তদ’ন্ত ক’রতে গিয়ে আ’ইনশৃ’ঙ্খলা বা’হিনী ঢাকায় তাঁর দুটি সাততলা ভবন,

নি’র্মাণাধীন একটি দশ তলা ভবন, জমি, গরুর খামা’র খুঁজে পেয়েছে। তারা বলছে, এখনো এই খোঁ’জ শেষ হয়নি। রবিবার বিকেলে র‍্যাব-১ আবদুল মালেককে তুরাগের বামনারটেক এলাকার একটি সাততলা ভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পি’স্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গু’লি, দেড় লাখ জাল বাংলাদেশি টাকা,

একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল উ’দ্ধার হয়। এদিকে আবদুল মালেককে গ্রেপ্তারের পর তার বাসার দরজা এবং ওয়াশরুমের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ি প’ড়ে। ভাইরাল ছবিতে দেখা গেছে, রাজকীয় প্রাসাদের দরজার আকৃতি দেয়া হয়েছে সেখানে। ওয়াশরুমের ছবিতে হাই কমোডের বিলাসবহুল ছাপ দেখা যাচ্ছে।

নেটিজেনরা স্বা’স্থ্যের একজন ড্রাইভারের এমন রাজকীয় লাইফস্টাইল মেনে নিতে পারছিলেন না। মামুন রশীদ নাম একজন ব্যবহারকারী লি’খেছেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এরকম হাজারো ডিজি আর ড্রাইভার পার পেয়ে গেছে। আমি মনে করি ড্রাইভার নিষ্পাপ। তাকে সাপোর্ট না করলে এ জীবনেও সম্ভব ছিল না এত সম্পদ করার।

ডিজিরাই হাজারো ড্রাইভার তৈরীর জন্য দায়ী’। এস আর আহমেদ সাজিদ বলেছেন, একজন ড্রাইভার যদি শত কোটি টাকার মালিক হয় তবে সচিব, ডিজি, চেয়ারম্যানদের আর্থিক অবস্থা কি হতে পারে? আবদুল মালেক স্বা’স্থ্য অধিদফতরে গাড়ি চালক হিসেবে যোগ দেন ১৯৮২ সালের দিকে। বর্তমানে কাগজে-কলমে তিনি স্বা’স্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,

ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনের গাড়িচালক হিসেবে ক’র্মরত আছেন। মামুন নামে একজন ব্যবহারকারী দরজার ছবি শেয়ার করে লি’খেছেন, ‘‘স্বা’স্থ্যের সাবেক ডিজির ড্রাইভার আবদুল মালেকের বাড়ির দরজা এটি। এখানে লে’গে আছে মেহনতী মানুষের ঘামের টাকা। হরি লুটের বাংলাদেশ’’।