শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ, তবুও ফি পরিশো’ধে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে চা’প!

রাজশাহীতে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গত কয়েক মাসের বকেয়া বেতন, সেমিস্টার ফি পরিশোধের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে চা’প দিচ্ছেন বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।

এতে করো’না প’রিস্থিতিতে আর্থিকভাবে অসচ্ছল অনেক অভিভাবকই বেকায়দায় পড়েছেন। বিষয়টি স্বী’কার করে তাদের নানা যুক্তি তুলে ধ’রেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। করো’না প’রিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা সহনশীল হওয়ার আ’হ্বান জা’নান জে’লা প্রশাসক।

করো’না ভা’ইরাসের কারণে প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধ’রে ব’ন্ধ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এমন প’রিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজ ক’র্তৃপক্ষ অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা নেয়া শুরু করেছে।

অ’ভিযোগ উঠেছে, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বকেয়া বেতন ও সেমিস্টার ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নোটিশ দিচ্ছেন। এছাড়া সময়মতো অর্থ পরিশোধ না করলে অনলাইন ক্লাস থেকে বহিষ্কার, পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত না করার কথা বলছে শিক্ষার্থীদের। অনেক অভিভাবকই অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন, তাদের জন্য এটা নতুন স’মস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি স্বী’কার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলরা বলছেন, শিক্ষকদের বেতন দেয়া ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচ যোগাতে এমনটা ক’রতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

জিলিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট পরিচালক মো. শাহজাহান আলী বলেন, পুনঃভর্তি ও ড্রপ আউটের যারা তাদের ফি দিতে বলা হয়েছে। আর সেমিস্টার ফি তো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমনিতেই দিতে চায় না।

নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয় উপা’চার্য মো. খালেকুজ্জামান বলেন, ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের সাথে এমন করছে। বর্তমান অব’স্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা মানবিক হওয়ার অনুরো’ধ জা’নান জে’লা প্রশাসক।

জে’লা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বেতন-ভাতা নিয়ে কোন নির্দে’শনা এখনো আম’রা পাইনি। নগরীতে শতাধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। এতে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। -সময় নিউজ