‘শুধু চুমু নয়, সময় এখন প্রকাশ্যে সে,ক্স করা’র : তসলিমা নাসরিন

জার্মানিতে নির্বাসিত দুই বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট শাম্মী হক ও অনন্য আজাদের ভালোবাসা দিবসের চুমুর ইভেন্টে সমর্থন জা’নিয়েছেন আরেক নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

বুধবার নিজে’র ফেসবুকের ভেরিফাইড পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে সমর্থনের কথা জা’নিয়েছেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘কত প্রিমিটিভ সমাজ হলে ছেলে মেয়েকে প্র’কাশ্যে চুমু খাওয়ার জন্য সংগ্রাম ক’রতে হয়। সময় ত প্র’কাশ্যে সে’ক্স করার।’ উল্লেখ্য,

কিছুদিন আগে একটি ফেসবুক ইভেন্টে ভালোবাসা দিবসে ঢাকায় প্র’কাশ্যে চুমু খাওয়ার জন্য প্রেমিক যুগলদের প্রতি আ’হ্বান জা’নান শাম্মী হক ও অনন্য আজাদ। এ ইভেন্টের নাম তারা দিয়েছেন ‘ভালোবাসা দিবসে পু’লিশি পাহারায় প্র’কাশ্যে চুমু খাব।’ এই আ’হ্বানের পর থেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় বিত’র্কের ঝ’ড় ওঠে।

আরোও পড়ুনঃ ২ মিনিটে ঝকঝকে দাঁত! জে’নে নিন পদ্ধতি–দাঁত বের করে হাসি দিতে অনেকেই লজ্জ্বা লাগে। এর কারণ হলো দাঁতের দুরাবস্থা। দাঁতের দুরাবস্থা দূ’র ক’রতে দরকার নিয়মিত যত্ন। কারো দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রী দে’খতে আস্তরণ, দাঁতের ওপর স্পট, সুন্দর হাসিকেই ন’ষ্ট করে দেয়।

যার ভ’য়ে খোলা মনের হাসি প্রা’ণ থেকে আসে বটে কিন্তু ঠোঁটের ব্যারিকেড থেকে আর বেরোতে পারে না। এক চামচ বেকিং সোডা আর তাতে লেবু এবং পানি দিয়ে ঝটপট তৈরি করে নিন একটা মি’শ্রণ। ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল করে ফেটিয়ে, যতক্ষণ না তা পেস্টের মত হচ্ছে।

এরপর ব্রাশে সেই বেকিং সোডা ও লেমনের পেস্ট লা’গিয়ে দাঁত মাজুন অ’ন্তত পক্ষে এক মিনিট। তারপর কুলকুচি করে নিন। দাঁতে কোনও রকম খা’রাপ প্র’ভাব পড়বে না, উল্টে দাঁত হবে ঝকঝকে ও সুন্দর।

আরোও পড়ুনঃ পুরুষদের বিয়ে ভীতির ৬ কারণ–বিয়ে ভীতি বলতে যা বোঝায় তা হচ্ছে বিয়ের নাম শুনলেই ভ’য় পাওয়া। আর এটা মূলত ছেলেদেরই বেশি থাকে। অনেক কারণে এ ভীতি তৈরি হয় তাদের মধ্যে। একটা ছেলে বিয়ে করা মানেই নিজে’র অনেক কিছুই বিসর্জন দেয়া থেকে শুরু করে বিশাল দায়িত্ব গ্রহণ করা।

যা সবাই নিতে সাহস পায় না। আসুন জে’নে নেয়া যাক সেসব ভ’য়ের কারণগুলো। স্বাধীনতা হা’রানোর ভ’য় : পুরুষদের মধ্যে একটি সাধারণ ধারণা হলো বিয়ে করা মানেই ব্য’ক্তি স্বাধীনতা হা’রানো। নিজে’র জন্য আ’লাদা ভাবে সময় দেয়া, যখন যেখানে খুশি যাওয়া, যা ইচ্ছে করা ইত্যাদি স্বাধীনতা হা’রানোর ভ’য়ে পুরুষরা বিয়ে ক’রতে পিছু হটেন।

দায়িত্ব নেয়ার ভ’য় : বিয়ে করা মানেই আরেকটি মানুষদের দায়িত্ব নেয়া। স্ত্রীর দেখাশোনা, খরচ, সঙ্গ দেয়া, সুবিধা অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখা ইত্যাদি দায়িত্ব নিতে হয় পুরুষকে। আর বিয়ের কিছুদিন পরেই সংসারে আসে নতুন অতিথি। তখন দায়িত্ব আরো বাড়ে। সেই স’ঙ্গে খরচ এবং চিন্তাও বাড়ে। তাই একস’ঙ্গে এতো দায়িত্ব নিতে স্বা’ভাবিক ভাবেই পুরুষরা ভ’য় পায় এবং বিয়ের প্রতি অনীহা সৃষ্টি হয়।

বিয়ের খরচ : বিয়ে মানেই অনেক বেশি চাকচিক্য ও বড় পরিসরের আনুষ্ঠানিকতা। দামি কাপড়, প্রচুর স্বর্ণালঙ্কার, অনেক অতিথি, লাখ টাকা দিয়ে হল ভাড়া নেয়া ইত্যাদি ছাড়া যেন সমাজে মুখ রাখাই দায়। এতো এতো খরচ সামলাতে গিয়ে যে কোনো পুরুষকেই হিমশিম খেতে হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে স্বল্প বেতনের চাকরি করে এতো খরচ সামলানো অসম্ভব একটি ব্যাপার। তাই বিয়ের প্রতি ভ’য় ও অনীহা জ’ন্মে যায়।

পরিবারের স’ঙ্গে স্ত্রীর বোঝাপড়া : বিয়ে করে ঘরে স্ত্রী নিয়ে এলে অনেক পরিবারেই নানান রকম ঝামেলা দেখা যায়। কখনো স্ত্রী অন্যায় আচরণ করে, আবার কখনো নিজে’র পরিবারের প্রতি অন্যায় আচরণ করে। এ নিয়ে সংসারে শুরু হয় নানা রকম অশান্তি। তার ওপর পরিবারের অন্য সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের স’ঙ্গে মনোমালিন্য তো হয়েই থাকে অহরহ। আর এসব স’মস্যার সমাধান করার দায়িত্বটা এসে প’ড়ে পুরুষটির ঘাড়েই।

স্ত্রীর প্র’তারণার ভ’য় : যেসব পুরুষ স’স্পর্কের ক্ষেত্রে কাউকে প্র’তারিত হতে দেখেছে কিংবা নিজে প্রেমের স’ম্পর্কে প্র’তারিত হয়েছে তারা বিয়ের প্রতি আগ্রহ হা’রিয়ে ফে’লে ন। বরং তাদের মনে বিয়ে স’স্পর্কে এক অজা’না আত’ঙ্ক বিরাজ করে। তারা মনে করেন বিয়ের পর স্ত্রী প্র’তারণা করবে আর এ ভ’য়েই বিয়ের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফে’লে ন।

ব’ন্ধু হা’রানো : দিন ভর ব’ন্ধুদের স’ঙ্গে আড্ডা, ঘোরাঘুরি, রাত করে ঘরে ফেরা এই তো জীবন! কিন্তু বিয়ের পর জীবনটা কি এমন থাকে? আবার এমনও দেখা যায় যে এক ব’ন্ধু বিয়ে করে সংসার পাতল কী পাতল না, অন্য ব’ন্ধুরা তাকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখা শুরু করে দেয়। অনেক ব’ন্ধু মহলে বিবাহিত ব’ন্ধুকে নিয়ে নানা রকম হাসি ঠাট্টাও হয় যা অনেকেই সহজ ভাবে নিতে পারেন না। সবমিলিয়ে বিয়ের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফে’লে ন অনেকেই।